ই-পেপার রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

অনুভবে আমার মা মাসউদুল কাদির

মাসউদুল কাদির
১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২১:০৪
আপডেট  : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২২:১৫

প্রায় একমাস ঢাকার বাসায় থাকলেন মা। আমি সেই ছোটবেলার ফিল করেছিলাম। কাউকে তা বুঝাতে পারবো না। কেমন লেগেছে। একেবারেই বৃদ্ধ মা। ছোট মানুষের মতো হাত ধরে ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। এরপরও মাঝে মাঝে মা আমাকে ধমক দিতেন। আনন্দ লাগতো। আমার কত সৌভাগ্য, মা আমাকে ধমক দিচ্ছেন। কত দিন হয় এ ধমক খাইনা।

সেদিন জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে করে ঢাকা আসছি। আমার আম্মা যা খেতে বলি, প্রথমবার না করবেন। পরে ঠিকই খাবেন। হয়তো খুশি করার জন্য। এ রোগটা আমার বাচ্চাদের মধ্যেও আছে। আম্মাকে হাত ধরে নিয়ে এসিরুমের বগিতে বসলাম, কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিল করছি, আমি আমার জন্মদাত্রী মায়ের পাশে বসে আছি। মুহূর্তেই চোখ ভিজে এলো। আম্মার হাত ধরি, কিছু বলতে চাই। পারি না। খেয়াল করলাম, নিজের ছেলের পাশে বসে আম্মা খুব নিরাপদ বোধ করছেন। পান চিবুতে চাইলেন, আমি বের করে দিলাম।

ছোটবেলায় আম্মার গলায় একটা অপারেশন হয়েছিল। হাসপাতালে গিয়ে আম্মাকে ধরে খুব কেঁদেছিলাম। তখন আম্মা আমাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। 'দেখো আমার কিচ্ছু হবে না ইনশাআল্লাহ'।

রেলে ওঠে বুঝলাম, আম্মার এত কাছে বসে আমি দীর্ঘ সময় কখনো কাটাইনি। ছোটবেলার বিষয়টি আলাদা। প্রতিটি মুহূর্তই আমার ভালো লাগছিল।

মাকে নিয়ে বাসায় গেলাম। সবাই তিনতলা থেকে নেমে নিচে চলে এলো স্বাগত জানাতে। ছোট ছেলেটার বয়স তিন প্লাস। দাদুকে পেয়ে সবচেয়ে বেশি খুশি সে।

রাতে ডিনার সারতে বাসায় এলো বড় ছেলে আবির। আমি তাকে একটা টাকার নোট গিফট দিয়ে বললাম, তোমার দাদু বাসায় এসেছেন- এ খুশিতে দিলাম। ও মুচকি হেসে টাকাটা নিলো। সঙ্গে সঙ্গে বাকি দুইজনও এসে হাজির। তাদেরও দাদু বাসায় আসার গিফট লাগবে। আমি দিলাম। তারা খুশিতে নাচানাচি শুরু করলো। আমি মায়ের দিকে তাকালাম। দেখলাম, মায়ের চোখ আনন্দে ছলছল করছে। কী অদ্ভুত মায়েরা, অন্যের আনন্দে হন ভীষণ খুশি।

প্রতিদিন রাতে বাসায় বাদাম নিয়ে ফিরতামই। আমার জানা ছিলো না, আজ বিস্কিট শেষ হয়ে গেছে। একদম মধ্যরাতে ফিরলাম। তারা মা-শ্বাশুড়ি আমাকে নিয়ে একটু হাসাহাসি করলেন। ভাবলাম, বাদাম হয়তো প্রতিদিন আনার কারণে এমনটা বলছেন। বাদ ফজর বুঝলাম, বিষয়টা আদতে তা নয়। ঘরে বিস্কিট শেষ। এজন্য বাদাম নিয়ে হাসাহাসি। আমি জানি, আম্মা আমার মতোই বাদাম পছন্দ করেন।

৪ অক্টোবর ২০২৬ রোববার আবার জয়ন্তিকা ধরে বাড়ি চলে গেলেন। ঢাকার বাসাটা এখন কেমন আছে। আবারও হয়তো চোখ ভিজে আসবে। মা, মাই। জগতের অন্যকিছুর সঙ্গে তার তুলনা চলে না। বাবা আর মা- নিশ্চয়ই তারা আমার জীবনের প্রথম শিক্ষক। আজকের শিক্ষক দিবসে সেনাসদস্যের মতো শাসন করে যিনি পড়াতেন-সেই বাবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। আমার পরমপ্রিয় মায়ের নেক হায়াত কামনা করছি। আমার সব গুরুজনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। যারা বেঁচে আছেন তাদের নেক হায়াত কামনা করছি। যারা চলে গেছেন তাদের জান্নাতে সুউচ্চ মাকাম চাই। আল্লাহ সবকিছুর মালিক। তিনি আমাদের জীবনকে সহজ করে দিন। আমিন

এক ব্যাগ রক্তে বাঁচে দুটি প্রাণ

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান । বিশেষ করে

ঢাকার অ্যাপার্টমেন্টের সার্ভিস চার্জ নিয়ে বিতর্ক

ঢাকায় অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসের প্রবণতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাসিক সার্ভিস চার্জ নিয়ে ফ্ল্যাট মালিক, বাসিন্দা ও

প্রাণের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বস্তিই হোক অগ্রাধিকার

জগতের গতিধারা আর খবরের কাগজের কালি—উভয়ই বড় চঞ্চল। শরৎ ফুরিয়ে কার্তিক এলো বলে, কিন্তু বাংলার

শি জিনপিং ও ট্রাম্পের বৈঠকে বিশ্ব কী বার্তা পেল  

দশ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ওয়াশিংটনের কাছে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হামের উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৫৬

দুই মাসে মাদক সংশ্লিষ্টতায় ২৭ পুলিশ সদস্য কারাগারে : আইজিপি

হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মক্তব পড়ানোর কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ, ইমামের যাবজ্জীবন

স্থানীয় সরকার বিভাগের ১৭ বছরের কার্যক্রমের প্রতিবেদন দুদকে

দীর্ঘমেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী

বোর্ড অন্যত্র ব্যবহার করতে চাইলে সাদরে গ্রহণ করবো: আশরাফুল

শিশুকে যৌন নির্যাতন, সেই মাদরাসা শিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছেন: শফিকুর রহমান

সাইবার হামলার শিকার জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট

দিনভর জামায়াতের বাধা, গভীর রাতে দাফন হলেন সাঈদীর মামলার বাদী

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের শঙ্কা, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস

হত্যাচেষ্টা মামলায় দিলীপ আগরওয়ালাকে ফের রিমান্ডে চায় পুলিশ

বিএনপি সংস্কারের কোনো অ্যাজেন্ডাই বাস্তবায়ন করতে চায় না : আখতার হোসেন

সংবিধান সংস্কারের নামে অপচেষ্টা করছে সরকার: গোলাম পরওয়ার

সিঙ্গাপুর ও কাতার থেকে ৬ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: মানবতাবিরোধী অপরাধের ৭ রায়ে ২৩ মৃত্যুদণ্ড, ১১ যাবজ্জীবন

ভাড়া নিয়ে বিরোধ, বাড়িওয়ালার লাঠির আঘাতে ভাড়াটিয়ার মৃত্যু

সেনা মোতায়েন করে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ রাখতে সফল ইতালি